জাতীয় নিরাপত্তা ডেস্ক Saturday, July 11, 2026 জননিরাপত্তা ইন্টেলিজেন্স · BD
যাচাইকৃত অপরাধ রিপোর্টিং · খণ্ড ১

অপরাধ লিপিবদ্ধ করুন।
সমাজ রক্ষা করুন।

মডারেশন-ভিত্তিক নাগরিক নথিভুক্তি।

একটি দায়িত্বশীল নাগরিক অপরাধ রিপোর্টিং প্ল্যাটফর্ম — পরিচয় গোপন রেখে প্রমাণসহ রিপোর্ট জমা দিন, প্রতিটি তথ্য প্রকাশের আগে যাচাই করা হয়।

লাইভ প্রভাব
লাইভ
জমা পড়া
২৬
যাচাইকৃত
১৬
রিভিউ কিউ
আপলোড সীমা (MB)
২৫
মডারেটেড নিউজরুম

সর্বশেষ যাচাইকৃত রিপোর্ট

সব দেখুন →
অন্যান্য · ভোলা Verified

১ মহিলাকে মাথায় আঘাত অপর মহিলাকে মাথায় আঘাত এবং যুবককে পিঠে আঘাত

ভোলা জেলা দিন দৌলতখান উপজেলা চরপাতা ইউনিয়নের লেজপাতা গ্রামের কেরানি বাজারের পূর্ব পাশে কাঞ্চন মালের বাড়ি মৃত মোহাম্মদ কাঞ্চনমাল কমপক্ষে ৪০ বছর যাবত একটি জমিন ভোগ করে আসতেছে বিগত তাগুদ হাসিনার শাসন আমলে চরপাতা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হান্নান কেরানি ১২ শতক জমিন জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে তখন কাঞ্চনমালের এক ছেলে আদালত করে আদালতে বাদীর পক্ষে রায় আসে ওই রায় খেয়ে উপেক্ষা করে গত ৩০শে মে শনিবার দুপুর তিনটায় বাদির বাড়িতে ঢুকে হান্নান কেরানি ও তার ভাই নূরনবী ওরফে নম্রুদ এবং হান্নানীর ছেলে ইমন মেয়ের জামাই রুবেল লাঠি সাবাল দিয়ে হোসেন তার স্ত্রী মনির তার স্ত্রী উপর বেধড়ক ভাবে মারে এবং এদের জুলুমে বিগত ১৬ বছর এলাকার কোনো নিরীহ মানুষ নিরীহ মানুষ নিরাপদ নয় এরা সকল নিরীহ মানুষের উপর জুলুমের স্টিম রোলার চালায় দয়া করে বিষয়টিকে তদন্ত করে সুবিচার করার জন্য আপনাদের কাছে বিনীত হয় জানাচ্ছি

◌ ভাড়ি বিস্তারিত →
অন্যান্য · ভোলা
১ মহিলাকে মাথায় আঘাত অপর মহিলাকে মাথায় আঘাত এবং যুবককে পিঠে আঘাত
ভোলা জেলা দিন দৌলতখান উপজেলা চরপাতা ইউনিয়নের লেজপাতা গ্রামের কেরানি বাজারের পূর্ব পাশে কাঞ্চন মালের বাড়ি মৃত মোহাম্মদ কাঞ্চনমাল কমপক্ষে ৪০ বছর যাবত একটি জমিন ভোগ করে আসতেছে বিগত তাগুদ হাসিনার শাসন আমলে চরপাতা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হান্নান কেরানি ১২ শতক জমিন জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে তখন কাঞ্চনমালের এক ছেলে আদালত করে আদালতে বাদীর পক্ষে রায় আসে ওই রায় খেয়ে উপেক্ষা করে গত ৩০শে মে শনিবার দুপুর তিনটায় বাদির বাড়িতে ঢুকে হান্নান কেরানি ও তার ভাই নূরনবী ওরফে নম্রুদ এবং হান্নানীর ছেলে ইমন মেয়ের জামাই রুবেল লাঠি সাবাল দিয়ে হোসেন তার স্ত্রী মনির তার স্ত্রী উপর বেধড়ক ভাবে মারে এবং এদের জুলুমে বিগত ১৬ বছর এলাকার কোনো নিরীহ মানুষ নিরীহ মানুষ নিরাপদ নয় এরা সকল নিরীহ মানুষের উপর জুলুমের স্টিম রোলার চালায় দয়া করে বিষয়টিকে তদন্ত করে সুবিচার করার জন্য আপনাদের কাছে বিনীত হয় জানাচ্ছি
মাদক · ঢাকা
প্রতিদিন মাদক বিক্রি করে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের হাজারিবাগের এনায়েতগঞ্জ এলাকায় আকতার সাহেবের ছোট ছেলে সৌরভ ৫ আগস্টের আগে আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে আতাত করে আর ৫ আগস্টের পর বিএনপির যুবদলের নেতাদের ছত্রছায়ায় গাজা,য়াবার রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌরভের এই অপকর্মের কথা তার বাবা, মা, স্ত্রী সবাই অবগত। তার স্ত্রীর পুর্ণ সমর্থন আছে তার প্রতি। সৌরভের বাবা এর আগে চেক জালিয়াতির কারনে জেল পর্যন্ত খেটেছেন। সৌরভের ভাই সুভন ও কয়েক বার পুলিশের কাছে ধরা খেয়েছে মোবাইল চুরি এবং বিক্রির অভিযোগে। সুভনের স্ত্রীর ভাই ভাতিজা চুরির মোবাইল বিক্রির সাথে জড়িত। সৌরভকে পিছন থেকে সাপোর্ট দিচ্ছে কিছু লোক, যার মধ্যে অন্যতম এনায়েতগঞ্জের লাট্টু বাবুর ভাতিজা, যুবদল নেতা আরমান। এই আরমান আবার হাজারিরাগ থানা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মো: সুমনের কাছের লোক। সমনের আরেক পরিচয় ৫ আগস্টের পর যুবদলের আরেক ত্যাগী নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার হত্যাকারী। প্রকাশ্যে ৪০-৫০ জন গুন্ডা নিয়ে এনায়েতগঞ্জ জামে মসজিদের সামনে অনেক বিএনপি নেতাদের সামনে হত্যা করে যায়। কারন জিয়া, সুমনের এই মাদক ব্যবসায়ে বাধা সৃষ্টি করেছিল যা ঢাকা ১০ আসনের সংসদ সদস্য রবিউল ইসলাম সহ অনেকেই জানেন। বর্তমানে রবিউল ইসলাম সাহেবের ডান হাত এই সুমন। তার কারনেই সৌরভের মত মাদক ব্যবসায়ী দিন দিন বাড়ছে। সৌরভ মধুমতি ব্যাংকে পিওনের কাজ করতো যা তার বাবা সাবেক মেয়র তাপসের হাতে পায়ে ধরে নিয়েছিল। কিছুদিন আগে সৌরভকে চুরি এবং ডিউটিতে অতিরিক্ত এবসেন্টের কারনে বের করে দেয়া হয়। তার পর সৌরভ সুপ এর দোকানের আরালে ইয়াবা এবং গাজার ব্যাবসা চালাতো। যাতে বিএনপি নেতা আরজু বাধা দেয়ায় অনেক ঝগড়া হয়। এবং সৌরভের বাড়িতে তার ছোট চাচার সাথেও অনেক ঝগড়া হয়, সৌরভ তস্র চাচা এবং চাচাতো ভাইকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়।
মাদক · মাদারীপুর
গ্রামের ভিতরে মাদক বিক্রি
আমি একটা কোম্পানির ডিলার পয়েন্ট এ কাজ করি!! তার পাশেই মাদক কারবারির বাসা, সেখানে দৈনিক শত শত লোক আসতেছে মাদক কিনতে, এখন ওখানে কাজে যেতে আমার ভয় করে কখন কোন সমস্যায় পড়ে যায়, আর আমাদের এলাকার যত নেতা আছে সবাই এর সাথে জড়িত I mean ওই মাদক কারবারি কে তারাই চালিয়ে রাখে পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে তারাই ছাড়িয়া আনে, ছবি দিতে পারতেছি না কারন ছবি তুলতে পারি নাই সমস্যা হবে দেখে, যারা মাদক কারবারি কে চালিয়ে রাখে তারা হল শাহিন খান, তার ছোট ভাই সম্রাট খান, আনোয়ার কাজী ,বাবলু বাঘা।
অন্যান্য · রাজশাহী
তবে কি দলীয় পদ না ছেড়েই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব? প্রশ্নের মুখে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ
রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BMDA)–এর চেয়ারম্যান পদে কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের নিয়োগ। বিএনপির সহযোগী সংগঠন কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং পাবনা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত পরাজিত প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এই রাজনৈতিক নেতাকে সচিব পদমর্যাদায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান করা হলেও, নিয়োগের শর্ত বাস্তবায়ন নিয়ে দেখা দিয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। নিয়োগ সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে অন্য কোনো পেশা, প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র কি সেই শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? অনুসন্ধানে দেখা যায়, নিয়োগের পরও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, সংবাদ প্রতিবেদন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি কৃষকদলের সভাপতি পরিচয়েই সক্রিয় রয়েছেন। সমালোচকদের দাবি, ঈদের আগের দিন প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায়ও তিনি নিজেকে কৃষকদলের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে পাবনা-৩ এলাকার জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। যদি এই তথ্য সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন ওঠে—সরকারি প্রজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক দায়িত্ব কি আদৌ ত্যাগ করা হয়েছে? বিষয়টি শুধু একজন ব্যক্তির পদধারণের প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা ও সুশাসনের প্রশ্নও। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতৃত্বে থাকা কোনো ব্যক্তি যখন একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন, তখন স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়। আরও বড় প্রশ্ন হলো, এটি কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামোয় রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগের একটি বৃহত্তর প্রবণতার অংশ? যদি নিয়োগের শর্ত কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকর না হয়, তাহলে সরকারি বিধি-বিধানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। জনস্বার্থে এখন প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা। হাসান জাফির তুহিন কি আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষকদলের সভাপতির পদ ছেড়েছেন? যদি ছেড়ে থাকেন, তার প্রমাণ কোথায়? আর যদি না ছেড়ে থাকেন, তাহলে সরকারি প্রজ্ঞাপনের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগের জবাব কী? রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন, নীতিমালা ও জবাবদিহিতা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য—এই মৌলিক নীতির প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতেই এসব প্রশ্নের স্বচ্ছ উত্তর প্রয়োজন।
প্রতারণা · ঢাকা
ড্রপশিপিং প্রতারণা
ঈদ মোবারক আজ এ ঈদের দিনে আপনাদের কাছে আমি এক স্ক্যামার এর পরিচয় করিয়ে দিতে চাই উনি হচ্ছেন ফারহান ভাই (ড্রপশিপিং কিং) তো যা ই হোক আমি উনার কাছে স্টোর সেটাপ,পেমেন্ট গেটওয়ে সহ যাবতীয় সব কিছুর জন্য ১০০০০ এবং এড রানের জন্য ২০০০০ মোট ৩০০০০ টাকা দেই। আর উনি আমাকে টাকা পাওয়ার পরেই ব্লক করে দেয়। উনি টেলিগ্রামে একটা গ্রুপ (Startdrop Institute) এর এডমিন। আমি উনাকে ২/৩ মাস মনিটরিং করে টাকা দেয়ার পরেও উনি আমার টাকা মেরে দেয়। পেইজের এক্সেস নিতে উনি একটা ফেবু আইডিও ব্যবহার করে (স্ক্রিনশট দেয়া হয়েছে) আল্লাহ ভালো জানেন কত ছেলেমেয়েদের টাকা তিনি নিয়ে নিয়েছেন। আমার দেখা প্রায় ১০/১৫ জনের মত মানুষের টাকা মেরে দিয়েছেন। এখনও হয়তো কাউকে না কাউকে নিজের শিকার বানাচ্ছেন। যারা ড্রপশিপিং করতে চান তারা এ আইডি থেকে সাবধান থাকবেন। এ সব প্রতারকগুলো সাহস পায় শুধু আমাদের গনতান্ত্রিক ও সেক্যুলার ভাইব আইন তথা প্রশাসন এর কারনে। অনলাইন জি ডি করেও লাভ হয় নাই। বিকাশের অফিসের উনারাও টাকা তুলে দিতে পারেনাই। অথচ ফেবু এর বিভিন্ন পেইজ (সাইবার ৭১,Islamic Cyber) উনারা আমাকে বলেছে ৩০০০ বা ৭০০০ টাকা দিলে উনারা নাকি আমার টাকা ব্যাক এনে দিবে🤣 আজ এ পবিত্র দিনে আমার এ পোস্ট দেয়ার উদ্দেশ্য হলো সবাইকে সচেতন করা, কেউ যাতে আমার মতো কোনভাবেই এসবের ভুক্তভোগী না হন🙏 মালিকের কাছে বিচার দিয়েছিলাম এই বলে যে " তোমার শাস্তির সর্বোচ্চ লেভেলের যে শাস্তি টা সেটা তুমি ফারহান তথা প্রতারক কে দিও মালিক🤲" আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন🤲 বাংলাদেশকে ইমারতে ইসলামিয়া হিসেবে কবুল করে নিও মালিক🤲
প্রতারণা · সারাদেশ
ফার্মাসিউক্যাল কোম্পানি যেন এক মাফিয়াচক্র: অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে Aristopharma Ltd (পর্ব-১)
বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান Aristopharma Limited-কে ঘিরে উঠে এসেছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, ট্রেনিং এবং চাকরির শর্ত নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ। প্রায় ৩০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানিকারক এবং শত কোটি টাকার ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ— আকর্ষণীয় চাকরির বিজ্ঞাপনের আড়ালে বেকার তরুণদের আর্থিক ও মানসিক চাপে ফেলে একটি বিতর্কিত নিয়োগ কাঠামো পরিচালনা করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, অস্পষ্ট বেতন কাঠামোঃ প্রতিমাসেই মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার (MIO) বা রিপ্রেজেনটেটিভ পদে আকর্ষণীয় বেতন, TA/DA, উৎসব বোনাস, ইনসেনটিভ, চিকিৎসা সুবিধা ও দ্রুত ক্যারিয়ার গ্রোথের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিজ্ঞপ্তিতে কখনোই পূর্ণাঙ্গ বেতন কাঠামো উল্লেখ করা হয় না। এমনকি সাক্ষাৎকারে প্রার্থীরা বেতন সম্পর্কে জানতে চাইলে অনেক ক্ষেত্রেই তা জানাতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। প্রলোভন দেখিয়ে একাডেমিক সার্টিফিকেটের মূলকপি জমা নিয়ে জিম্মি করা হয় প্রার্থীদেরঃ ওয়াক-ইন ইন্টারভিউয়ের সময় প্রার্থীদের সকল একাডেমিক সার্টিফিকেটের মূলকপি সঙ্গে আনতে বলা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মূল সার্টিফিকেট জমা রাখা হয়, যা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকে না। এরপর ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই ট্রেনিং সেন্টারে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। কঠোর ট্রেনিং ও বাড়তি আর্থিক চাপঃ ১ থেকে দেড় মাসব্যাপী ট্রেনিং চলাকালে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বেসিক ফার্মাকোলজি ও মার্কেটিং বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হয়। ট্রেনিং চলাকালে মোবাইল ফোন জমা রাখা বাধ্যতামূলক বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রথম দিন থেকেই শ্যুটেড-বুটেড ড্রেসকোড বাধ্যতামূলক করা হয়, যার পেছনে একজন চাকরি প্রত্যাশীর ৫/৭ হাজার টাকা ব্যয় হয়। পাশাপাশি থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ট্রেনিংয়ের মাঝামাঝি সময়ে একজন প্রার্থীর মোট ব্যয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়। চুক্তিপত্রে বিতর্কিত শর্তের অভিযোগঃ সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ট্রেনিংয়ের ১৫–২০ দিন পর প্রার্থীদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া চুক্তিপত্র নিয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই চুক্তির শর্তগুলো আগে কখনো জানানো হয় না। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— - ২ বছরের আগে চাকরি ছাড়লে ২ লাখ টাকা জরিমানা - নির্দিষ্ট সময়ের আগে একাডেমিক সার্টিফিকেট ফেরত না দেওয়া - পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতিতেও ছুটি সীমিত রাখা অনেকের দাবি, এই পর্যায়ে এসে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, কারণ ইতোমধ্যেই বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে যায় এবং সার্টিফিকেট আটকে থাকার ভয় তৈরি হয়। ট্রেনিং শেষে ছিটকে পড়ার অভিযোগঃ অভিযোগ রয়েছে, চুক্তিতে স্বাক্ষরের পর থেকেই শুরু হয় কঠোর মূল্যায়ন ও ছাঁটাই। সাপ্তাহিক পরীক্ষায় নির্ধারিত নম্বর না পেলে ব্যাচ পরিবর্তন কিংবা বাদ দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এমনকি পদসংখ্যা সীমিত থাকলে নানা অজুহাতে প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গ্যারান্টর ও ক্ষতিপূরণের চাপঃ চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একজন গ্যারান্টরকে প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দায়ভার গ্রহণের শর্তে স্বাক্ষর করতে হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কোম্পানির বিভিন্ন নীতিমালা ভঙ্গ হলে প্রার্থী ও গ্যারান্টর উভয়কেই ক্ষতিপূরণের মুখোমুখি হতে হতে পারে। বড় প্রশ্নঃ চাকরির আশায় আসা বেকার তরুণদের দীর্ঘ ট্রেনিং, আর্থিক ব্যয়, সার্টিফিকেট জিম্মি এবং কঠোর চুক্তির মাধ্যমে মানসিক চাপে রাখার এই অভিযোগগুলো এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে— দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ এবং শ্রম আইনসম্মত? একটা কোম্পানি কোন বলে প্রার্থীর একাডেমিক মূল সার্টিফিকেট জমা জিম্মি করে রাখে? তাছাড়া চাকরি ছেড়ে দিলেও সার্টিফিকেট আটকে রাখা হয় মাসের পর মাস এমনকি অনেককে বছরের পর বছরও ঘুরতে হয়! ইনশাআল্লাহ পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভদের কর্মজীবনের বাস্তবতা, অযাচিত করপোরেট চাপ, রোগীদের হয়রানি, এবং কিছু চিকিৎসক ও কোম্পানির মধ্যে অনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের অপব্যবহারের বিষয়। এছাড়াও কোম্পানিগুলোর বিপুল প্রচারণা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের (অন্তত ৪৫%) চাপ কীভাবে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওষুধের দামের ওপর গিয়ে পড়ে— সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
কীভাবে কাজ করে

তিন ধাপে নিরাপদ রিপোর্টিং

০১

রিপোর্ট জমা

ঘটনার বিবরণ, জেলা-থানা-এলাকা এবং প্রমাণ আপলোড করুন। নাম ও ফোন ঐচ্ছিক।

০২

সিকিউর মডারেশন

প্রতিটি রিপোর্ট Under Review থাকে। মডারেটর প্রমাণ ও ঝুঁকি যাচাই করে।

০৩

জনস্বার্থে প্রকাশ

Approved হলে public database এবং impact counter-এ রিপোর্ট দেখা যায়।

জরুরি ডিরেক্টরি

পুলিশ ও র‌্যাব হেল্পলাইন

সব নম্বর দেখুন →
জাতীয় জরুরি সেবা 999
নারী ও শিশু সহায়তা 109
দুদক হটলাইন 106
আনুষ্ঠানিক অংশীদার

আমাদের পার্টনার সংস্থাসমূহ

আমরা বিশ্বস্ত ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করি

আইনি ও নিরাপত্তা

এটি জরুরি সেবা নয় এবং কোনো ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে না। জীবন বা সম্পদের তাৎক্ষণিক ঝুঁকি থাকলে ৯৯৯ বা নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করুন।

জরুরি নম্বর →