▣ মডারেটেড নিউজরুম

পাবলিক যাচাইকৃত রিপোর্ট

মডারেশন পাস করা রিপোর্টগুলো জনসচেতনতার জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

রিপোর্ট ডাটাবেস

টি approved রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে
লাইভ আপডেট রিপোর্ট
অন্যান্য ✓ Verified

১ মহিলাকে মাথায় আঘাত অপর মহিলাকে মাথায় আঘাত এবং যুবককে পিঠে আঘাত

ভোলা জেলা দিন দৌলতখান উপজেলা চরপাতা ইউনিয়নের লেজপাতা গ্রামের কেরানি বাজারের পূর্ব পাশে কাঞ্চন মালের বাড়ি মৃত মোহাম্মদ কাঞ্চনমাল কমপক্ষে ৪০ বছর যাবত একটি জমিন ভোগ করে আসতেছে বিগত তাগুদ হাসিনার শাসন আমলে চরপাতা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হান্নান কেরানি ১২ শতক জমিন জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে তখন কাঞ্চনমালের এক ছেলে আদালত করে আদালতে বাদীর পক্ষে রায় আসে ওই রায় খেয়ে উপেক্ষা করে গত ৩০শে মে শনিবার দুপুর তিনটায় বাদির বাড়িতে ঢুকে হান্নান কেরানি ও তার ভাই নূরনবী ওরফে নম্রুদ এবং হান্নানীর ছেলে ইমন মেয়ের জামাই রুবেল লাঠি সাবাল দিয়ে হোসেন তার স্ত্রী মনির তার স্ত্রী উপর বেধড়ক ভাবে মারে এবং এদের জুলুমে বিগত ১৬ বছর এলাকার কোনো নিরীহ মানুষ নিরীহ মানুষ নিরাপদ নয় এরা সকল নিরীহ মানুষের উপর জুলুমের স্টিম রোলার চালায় দয়া করে বিষয়টিকে তদন্ত করে সুবিচার করার জন্য আপনাদের কাছে বিনীত হয় জানাচ্ছি

⌖ ভোলা বিস্তারিত →
অন্যান্য ✓ Verified

১ মহিলাকে মাথায় আঘাত অপর মহিলাকে মাথায় আঘাত এবং যুবককে পিঠে আঘাত

ভোলা জেলা দিন দৌলতখান উপজেলা চরপাতা ইউনিয়নের লেজপাতা গ্রামের কেরানি বাজারের পূর্ব পাশে কাঞ্চন মালের বাড়ি মৃত মোহাম্মদ কাঞ্চনমাল কমপক্ষে ৪০ বছর যাবত একটি জমিন ভোগ করে আসতেছে বিগত তাগুদ হাসিনার শাসন আমলে চরপাতা ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হান্নান কেরানি ১২ শতক জমিন জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে তখন কাঞ্চনমালের এক ছেলে আদালত করে আদালতে বাদীর পক্ষে রায় আসে ওই রায় খেয়ে উপেক্ষা করে গত ৩০শে মে শনিবার দুপুর তিনটায় বাদির বাড়িতে ঢুকে হান্নান কেরানি ও তার ভাই নূরনবী ওরফে নম্রুদ এবং হান্নানীর ছেলে ইমন মেয়ের জামাই রুবেল লাঠি সাবাল দিয়ে হোসেন তার স্ত্রী মনির তার স্ত্রী উপর বেধড়ক ভাবে মারে এবং এদের জুলুমে বিগত ১৬ বছর এলাকার কোনো নিরীহ মানুষ নিরীহ মানুষ নিরাপদ নয় এরা সকল নিরীহ মানুষের উপর জুলুমের স্টিম রোলার চালায় দয়া করে বিষয়টিকে তদন্ত করে সুবিচার করার জন্য আপনাদের কাছে বিনীত হয় জানাচ্ছি

⌖ ভোলা বিস্তারিত →
অন্যান্য ✓ Verified

তবে কি দলীয় পদ না ছেড়েই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব? প্রশ্নের মুখে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BMDA)–এর চেয়ারম্যান পদে কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের নিয়োগ। বিএনপির সহযোগী সংগঠন কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং পাবনা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত পরাজিত প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এই রাজনৈতিক নেতাকে সচিব পদমর্যাদায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান করা হলেও, নিয়োগের শর্ত বাস্তবায়ন নিয়ে দেখা দিয়েছে গুরুতর প্রশ্ন। নিয়োগ সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের আগে তাকে অন্য কোনো পেশা, প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র কি সেই শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? অনুসন্ধানে দেখা যায়, নিয়োগের পরও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, সংবাদ প্রতিবেদন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি কৃষকদলের সভাপতি পরিচয়েই সক্রিয় রয়েছেন। সমালোচকদের দাবি, ঈদের আগের দিন প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায়ও তিনি নিজেকে কৃষকদলের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে পাবনা-৩ এলাকার জনগণকে শুভেচ্ছা জানান। যদি এই তথ্য সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন ওঠে—সরকারি প্রজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক দায়িত্ব কি আদৌ ত্যাগ করা হয়েছে? বিষয়টি শুধু একজন ব্যক্তির পদধারণের প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা ও সুশাসনের প্রশ্নও। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতৃত্বে থাকা কোনো ব্যক্তি যখন একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন, তখন স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়। আরও বড় প্রশ্ন হলো, এটি কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামোয় রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগের একটি বৃহত্তর প্রবণতার অংশ? যদি নিয়োগের শর্ত কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকর না হয়, তাহলে সরকারি বিধি-বিধানের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। জনস্বার্থে এখন প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা। হাসান জাফির তুহিন কি আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষকদলের সভাপতির পদ ছেড়েছেন? যদি ছেড়ে থাকেন, তার প্রমাণ কোথায়? আর যদি না ছেড়ে থাকেন, তাহলে সরকারি প্রজ্ঞাপনের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগের জবাব কী? রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন, নীতিমালা ও জবাবদিহিতা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য—এই মৌলিক নীতির প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতেই এসব প্রশ্নের স্বচ্ছ উত্তর প্রয়োজন।

⌖ রাজশাহী বিস্তারিত →