▣ মডারেটেড নিউজরুম

পাবলিক যাচাইকৃত রিপোর্ট

মডারেশন পাস করা রিপোর্টগুলো জনসচেতনতার জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

রিপোর্ট ডাটাবেস

টি approved রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে
লাইভ আপডেট রিপোর্ট
প্রতারণা ✓ Verified

ড্রপশিপিং প্রতারণা

ঈদ মোবারক আজ এ ঈদের দিনে আপনাদের কাছে আমি এক স্ক্যামার এর পরিচয় করিয়ে দিতে চাই উনি হচ্ছেন ফারহান ভাই (ড্রপশিপিং কিং) তো যা ই হোক আমি উনার কাছে স্টোর সেটাপ,পেমেন্ট গেটওয়ে সহ যাবতীয় সব কিছুর জন্য ১০০০০ এবং এড রানের জন্য ২০০০০ মোট ৩০০০০ টাকা দেই। আর উনি আমাকে টাকা পাওয়ার পরেই ব্লক করে দেয়। উনি টেলিগ্রামে একটা গ্রুপ (Startdrop Institute) এর এডমিন। আমি উনাকে ২/৩ মাস মনিটরিং করে টাকা দেয়ার পরেও উনি আমার টাকা মেরে দেয়। পেইজের এক্সেস নিতে উনি একটা ফেবু আইডিও ব্যবহার করে (স্ক্রিনশট দেয়া হয়েছে) আল্লাহ ভালো জানেন কত ছেলেমেয়েদের টাকা তিনি নিয়ে নিয়েছেন। আমার দেখা প্রায় ১০/১৫ জনের মত মানুষের টাকা মেরে দিয়েছেন। এখনও হয়তো কাউকে না কাউকে নিজের শিকার বানাচ্ছেন। যারা ড্রপশিপিং করতে চান তারা এ আইডি থেকে সাবধান থাকবেন। এ সব প্রতারকগুলো সাহস পায় শুধু আমাদের গনতান্ত্রিক ও সেক্যুলার ভাইব আইন তথা প্রশাসন এর কারনে। অনলাইন জি ডি করেও লাভ হয় নাই। বিকাশের অফিসের উনারাও টাকা তুলে দিতে পারেনাই। অথচ ফেবু এর বিভিন্ন পেইজ (সাইবার ৭১,Islamic Cyber) উনারা আমাকে বলেছে ৩০০০ বা ৭০০০ টাকা দিলে উনারা নাকি আমার টাকা ব্যাক এনে দিবে🤣 আজ এ পবিত্র দিনে আমার এ পোস্ট দেয়ার উদ্দেশ্য হলো সবাইকে সচেতন করা, কেউ যাতে আমার মতো কোনভাবেই এসবের ভুক্তভোগী না হন🙏 মালিকের কাছে বিচার দিয়েছিলাম এই বলে যে " তোমার শাস্তির সর্বোচ্চ লেভেলের যে শাস্তি টা সেটা তুমি ফারহান তথা প্রতারক কে দিও মালিক🤲" আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন🤲 বাংলাদেশকে ইমারতে ইসলামিয়া হিসেবে কবুল করে নিও মালিক🤲

⌖ ঢাকা বিস্তারিত →
প্রতারণা ✓ Verified

ফার্মাসিউক্যাল কোম্পানি যেন এক মাফিয়াচক্র: অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে Aristopharma Ltd (পর্ব-১)

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান Aristopharma Limited-কে ঘিরে উঠে এসেছে নিয়োগ প্রক্রিয়া, ট্রেনিং এবং চাকরির শর্ত নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ। প্রায় ৩০টিরও বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানিকারক এবং শত কোটি টাকার ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ— আকর্ষণীয় চাকরির বিজ্ঞাপনের আড়ালে বেকার তরুণদের আর্থিক ও মানসিক চাপে ফেলে একটি বিতর্কিত নিয়োগ কাঠামো পরিচালনা করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন, অস্পষ্ট বেতন কাঠামোঃ প্রতিমাসেই মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার (MIO) বা রিপ্রেজেনটেটিভ পদে আকর্ষণীয় বেতন, TA/DA, উৎসব বোনাস, ইনসেনটিভ, চিকিৎসা সুবিধা ও দ্রুত ক্যারিয়ার গ্রোথের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিজ্ঞপ্তিতে কখনোই পূর্ণাঙ্গ বেতন কাঠামো উল্লেখ করা হয় না। এমনকি সাক্ষাৎকারে প্রার্থীরা বেতন সম্পর্কে জানতে চাইলে অনেক ক্ষেত্রেই তা জানাতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। প্রলোভন দেখিয়ে একাডেমিক সার্টিফিকেটের মূলকপি জমা নিয়ে জিম্মি করা হয় প্রার্থীদেরঃ ওয়াক-ইন ইন্টারভিউয়ের সময় প্রার্থীদের সকল একাডেমিক সার্টিফিকেটের মূলকপি সঙ্গে আনতে বলা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মূল সার্টিফিকেট জমা রাখা হয়, যা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকে না। এরপর ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই ট্রেনিং সেন্টারে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। কঠোর ট্রেনিং ও বাড়তি আর্থিক চাপঃ ১ থেকে দেড় মাসব্যাপী ট্রেনিং চলাকালে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বেসিক ফার্মাকোলজি ও মার্কেটিং বিষয়ে ক্লাস নেওয়া হয়। ট্রেনিং চলাকালে মোবাইল ফোন জমা রাখা বাধ্যতামূলক বলেও অভিযোগ রয়েছে। প্রথম দিন থেকেই শ্যুটেড-বুটেড ড্রেসকোড বাধ্যতামূলক করা হয়, যার পেছনে একজন চাকরি প্রত্যাশীর ৫/৭ হাজার টাকা ব্যয় হয়। পাশাপাশি থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে ট্রেনিংয়ের মাঝামাঝি সময়ে একজন প্রার্থীর মোট ব্যয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকায় পৌঁছে যায়। চুক্তিপত্রে বিতর্কিত শর্তের অভিযোগঃ সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ট্রেনিংয়ের ১৫–২০ দিন পর প্রার্থীদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া চুক্তিপত্র নিয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, এই চুক্তির শর্তগুলো আগে কখনো জানানো হয় না। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— - ২ বছরের আগে চাকরি ছাড়লে ২ লাখ টাকা জরিমানা - নির্দিষ্ট সময়ের আগে একাডেমিক সার্টিফিকেট ফেরত না দেওয়া - পারিবারিক জরুরি পরিস্থিতিতেও ছুটি সীমিত রাখা অনেকের দাবি, এই পর্যায়ে এসে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে, কারণ ইতোমধ্যেই বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে যায় এবং সার্টিফিকেট আটকে থাকার ভয় তৈরি হয়। ট্রেনিং শেষে ছিটকে পড়ার অভিযোগঃ অভিযোগ রয়েছে, চুক্তিতে স্বাক্ষরের পর থেকেই শুরু হয় কঠোর মূল্যায়ন ও ছাঁটাই। সাপ্তাহিক পরীক্ষায় নির্ধারিত নম্বর না পেলে ব্যাচ পরিবর্তন কিংবা বাদ দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এমনকি পদসংখ্যা সীমিত থাকলে নানা অজুহাতে প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। গ্যারান্টর ও ক্ষতিপূরণের চাপঃ চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একজন গ্যারান্টরকে প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দায়ভার গ্রহণের শর্তে স্বাক্ষর করতে হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, কোম্পানির বিভিন্ন নীতিমালা ভঙ্গ হলে প্রার্থী ও গ্যারান্টর উভয়কেই ক্ষতিপূরণের মুখোমুখি হতে হতে পারে। বড় প্রশ্নঃ চাকরির আশায় আসা বেকার তরুণদের দীর্ঘ ট্রেনিং, আর্থিক ব্যয়, সার্টিফিকেট জিম্মি এবং কঠোর চুক্তির মাধ্যমে মানসিক চাপে রাখার এই অভিযোগগুলো এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে— দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ এবং শ্রম আইনসম্মত? একটা কোম্পানি কোন বলে প্রার্থীর একাডেমিক মূল সার্টিফিকেট জমা জিম্মি করে রাখে? তাছাড়া চাকরি ছেড়ে দিলেও সার্টিফিকেট আটকে রাখা হয় মাসের পর মাস এমনকি অনেককে বছরের পর বছরও ঘুরতে হয়! ইনশাআল্লাহ পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভদের কর্মজীবনের বাস্তবতা, অযাচিত করপোরেট চাপ, রোগীদের হয়রানি, এবং কিছু চিকিৎসক ও কোম্পানির মধ্যে অনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের অপব্যবহারের বিষয়। এছাড়াও কোম্পানিগুলোর বিপুল প্রচারণা ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের (অন্তত ৪৫%) চাপ কীভাবে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওষুধের দামের ওপর গিয়ে পড়ে— সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

⌖ সারাদেশ বিস্তারিত →
প্রতারণা ✓ Verified

অনলাইনে কেনা বেচা সংক্রান্ত প্রতারনা

অনলাইনের একটি গ্রুপে ২ টা YouTube channel, 400 টাকায় বিক্রির পোস্ট দেখে আমি বিক্রেতা, নাম: মায়া বতী, আইডি লিংক: https://www.facebook.com/profile.php?id=61585590748356 কে মেসেজ দেই। আমরা রাজি হই একজন এডমিন এর মধ্যস্থতায় এই চ্যানেল ২ টা কিনবো। তখন এডমিন Rahad YT নামের এই আইডি, আইডি লিংক: https://www.facebook.com/profile.php?id=61587720666402 থেকে বিকাশে 01935296418 এই নাম্বারে ৪১০ টাকা পাঠাতে বলে। এবং আমি ২৫/০৫/২০২৬ ইং, সকাল ১১:৩৬ মিনিটে আমার নাম্বার: 01965-494721 হতে ৪১০ টাকা পাঠাই, যার ট্রাঞ্জেকশন আইডি DEP5KXBTG1 তারপর ই আমাকে ব্লক দিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে এই সেল চ্যানেল গুলো অন্য একটি আইডি "দুঃখ বিলাশ” আইডি লিংক: https://www.facebook.com/profile.php?id=61564733894845 থেকে বিক্রি হতে দেখে আমি আরো সচেতন হই। হয়তো এটি একটি ছোট ঘটনা। কিন্তু এই লোক গুলো এইভাবে কত মানুষের সাথে প্রতারনা করছে, তা ভেবে আমি খুব ই শিহরিত। সামাজিক মূল্যবোধ থেকে ই আমি এই অভিযোগ টি দায়ের করলাম।

⌖ ঢাকা বিস্তারিত →
প্রতারণা ✓ Verified

ফিলিস্তিনে ডোনেশনের নাম করে টাকা আত্মসাত

আসসালামু আলাইকুম আবির নামে এক ভন্ড প্রতারক যে কিনা হাদিকে ব্যবহার করে নিজেকে অনেক মহান পরিচয় দিয়ে ফিলিস্তিনিদের নামে টাকা নিয়েছে এবং সে টাকা আত্মসোতস সহ ইউটিউবের বিভিন্ন মেথদের নামে টাকা খেয়েছে ডলার লোডিং এর কথা বলে টাকা খেয়েছে এবং হাজারো ছেলেদের টাকা মেরে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আমি প্রতারিত হয়েছি ফিলিস্তিনিদের নামে টাকা তুলে সময় সে টাকা দিয়ে ডলার লোডিং এর জন্য ডিভাইসের টাকা ৩০০০ দিয়ে চাকরির অফার করে দুই হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে আমাদেরকে আর কাজ বুঝিয়ে দেয়নি এবং পরবর্তীতে ব্লক করে দেয় এবং একই সিস্টেমে সবার সাথে মেরে দেয় এবং তার লোকেশন ঢাকা জুরাইন জাপানি বাজার যেখানে তার নিজস্ব লোক দ্বারা প্রবাহিত আছে। যখন যে সরকার আছে সে সরকারের গুণ গান গেয়ে সেটা নিজে এলাকা সহ অনলাইনে প্রভাব খাটায়। ফেসবুকে যে তার বিরুদ্ধে কথা বলেছে তার আইডি নষ্ট করে দেয়। আমার খুব কষ্টের টাকা ছিল ঈদের মার্কেটের টাকা দিয়ে আমি সেখানে জয়েন হয়েছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত প্রতারিত হই এই নাম্বার দিয়ে টাকা গুলা নিছে আপনি তার গুরুপে কোনো ভাবে ঢুকতে পারলে বুঝতে পারবেন কিভাবে সে মানুষকে বোকা বানায় নাম : আবির নাম্বার : +880 1703-474942 লোকেশন : ঢাকা জুরাইন

⌖ ঢাকা বিস্তারিত →