Verified Public Report
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের হাজারিবাগের এনায়েতগঞ্জ এলাকায় আকতার সাহেবের ছোট ছেলে সৌরভ ৫ আগস্টের আগে আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে আতাত করে আর ৫ আগস্টের পর বিএনপির যুবদলের নেতাদের ছত্রছায়ায় গাজা,য়াবার রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সৌরভের এই অপকর্মের কথা তার বাবা, মা, স্ত্রী সবাই অবগত। তার স্ত্রীর পুর্ণ সমর্থন আছে তার প্রতি। সৌরভের বাবা এর আগে চেক জালিয়াতির কারনে জেল পর্যন্ত খেটেছেন। সৌরভের ভাই সুভন ও কয়েক বার পুলিশের কাছে ধরা খেয়েছে মোবাইল চুরি এবং বিক্রির অভিযোগে। সুভনের স্ত্রীর ভাই ভাতিজা চুরির মোবাইল বিক্রির সাথে জড়িত। সৌরভকে পিছন থেকে সাপোর্ট দিচ্ছে কিছু লোক, যার মধ্যে অন্যতম এনায়েতগঞ্জের লাট্টু বাবুর ভাতিজা, যুবদল নেতা আরমান। এই আরমান আবার হাজারিরাগ থানা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মো: সুমনের কাছের লোক। সমনের আরেক পরিচয় ৫ আগস্টের পর যুবদলের আরেক ত্যাগী নেতা জিয়াউর রহমান জিয়ার হত্যাকারী। প্রকাশ্যে ৪০-৫০ জন গুন্ডা নিয়ে এনায়েতগঞ্জ জামে মসজিদের সামনে অনেক বিএনপি নেতাদের সামনে হত্যা করে যায়। কারন জিয়া, সুমনের এই মাদক ব্যবসায়ে বাধা সৃষ্টি করেছিল যা ঢাকা ১০ আসনের সংসদ সদস্য রবিউল ইসলাম সহ অনেকেই জানেন। বর্তমানে রবিউল ইসলাম সাহেবের ডান হাত এই সুমন। তার কারনেই সৌরভের মত মাদক ব্যবসায়ী দিন দিন বাড়ছে। সৌরভ মধুমতি ব্যাংকে পিওনের কাজ করতো যা তার বাবা সাবেক মেয়র তাপসের হাতে পায়ে ধরে নিয়েছিল। কিছুদিন আগে সৌরভকে চুরি এবং ডিউটিতে অতিরিক্ত এবসেন্টের কারনে বের করে দেয়া হয়। তার পর সৌরভ সুপ এর দোকানের আরালে ইয়াবা এবং গাজার ব্যাবসা চালাতো। যাতে বিএনপি নেতা আরজু বাধা দেয়ায় অনেক ঝগড়া হয়। এবং সৌরভের বাড়িতে তার ছোট চাচার সাথেও অনেক ঝগড়া হয়, সৌরভ তস্র চাচা এবং চাচাতো ভাইকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়।